সাম্প্রতিক পোস্ট শিরোনাম

সাম্প্রতিক পোস্ট

তাফসীর শাস্ত্রের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

24 Nov  Tags:  প্রবন্ধ

 

অভিধানিক অর্থ: অভিধানিক  দৃষ্টিকোন থেকে তাফসীর (تفسیر)  শব্দের অর্থ স্পষ্ট করা, প্রকাশ করা, প্রসারিত করা, ব্যাখ্যা করা, যেমন যেমন আল্লাহর বাণী: -وَلَا يَأْتُونَكَ بِمَثَلٍ إِلَّا جِئْنَاكَ بِالْحَقِّ وَأَحْسَنَ تَفْسِيرًا

“ তারা আপনার কাছে কোন সমস্যা উপস্থাপন করলেই আমি তার সঠিক জওয়াব  ও ব্যাখ্যা প্রদান করি।  تفسیر শব্দটি  فسر শব্দমূল হতে গৃহত। যার অর্থ, উদঘাটন করা, উন্মুক্ত করা।স্পষ্ট করা। লিসানুল আরব প্রণেতা বলেন: الفسر  অর্থ, বয়ান তথা স্পষ্ট ব্যাখ্যা, যেমন বলা হয়: فسرہ অর্থাৎ স্পষ্ট করেছে। অতঃপর তিনি বলেন:  الفسر  অর্থ পর্দা উন্মোচন আর তাফসীরের কাজ হলো, অস্পষ্ট শব্দের মূল তত্ত্ব উদঘাটন করা।  মূলত ر - س- ف  ও ر - ف- س এই উভয় শব্দ মূল উন্মুক্তকরণ ও যবনিকা উন্মোচনের অর্থে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু ر - ف- س শব্দমূল সাধারণত বাহ্য ও জড় বস্তুর উন্মোচন অর্থে এবং ر - س- ف অভ্যন্তরীণ ও অজড় বস্তুর উন্মোচন অর্থে ব্যবহৃত হয়। ডাক্তার ...

Comments : 0  |  Cotinue reading

 


সাহরী খাওয়ার শেষ সময়সীমা:

24 Nov  Tags:  প্রবন্ধ

সাহরী খাওয়ার শেষ সময়সীমা:
........................................
একটি ভ্রান্তি নিরসন
.......................
নি¤েœ বর্ণিত হাদীসটির কারণে অনেকের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয় এবং বলতে শোনা যায় যে, ফজরের আযানের পরেও সাহরী খাওয়া অনুমতি রয়েছে হাদীসে এবং দলীল স্বরূপ তারা এ হাদীসটি পেশ করে  থাকেন:
عن أبي هريرة  رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سمع أحدكم النـداء والإناء على يده فلا يضعه حتى يقضي حاجته مـنه ) صحيح أبي داؤد(
অর্থ: হযরত আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সা. ইরশাদ করেছেনে যখন তোমরা কেউ আযান শুনবে আর খাদ্যের পাত্র হাতে থাকে, তবে সে যেন তা রেখে না দেয় যে পর্যন্ত সে  তা হতে নিজের প্রয়োজন পূর্ণ না করে। (আবু দাউদ)
উক্ত হাদীসের কারণে অনেকেই মনে করেন, ফজরের আযানের পরেও সাহরী খাওয়া যায়।
আসলে এমন ধারণা করা আর হাতির দাঁতকে কলাগাছ মনে করা সমান। কারণ সাহরীর সময়সীমার বর্ণনা এসেছে সরাসরি কোরআন মাজীদে ইরশাদ হচ্ছে:
وَكُلُوا وَاشرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ ...

Comments : 0  |  Cotinue reading

 


ল্যাপটপ ব্যবহারের টিপস:

26 Sep  Tags:  প্রবন্ধ

 

কিছু নিয়ম মেনে চললে ল্যাপটপের পারফরমেন্স ভালো হয়।

—ব্যাটারি দিয়ে ল্যাপটপ চালানো না লাগলেও ২/৩ সপ্তাহে মাঝে মাঝে ব্যাটারি থেকে চালাতে হবে, নতুবা ব্যাটারি আয়ু কমে যাবে।

—ব্যাটারিতে ল্যাপটপ চালানোর সময় স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে দিন।

—মাঝে মাঝে ব্যাটারির কানেক্টর লাইন পরিষ্কার করুন।

—ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন।

—দরকারি ছাড়া অন্য উইন্ডোগুলো মিনিমাইজ করে রাখুন।

—হার্ডডিস্ক থেকে মুভি-গান প্লে করুন, কারণ সিডি/ডিভিডি র‌্যাম অনেক বেশি পাওয়ার নেয়।

—এয়ার ভেন্টের পথ খোলা রাখুন, সহজে বাতাস চলাচল করে এমনভাবে ল্যাপটপ পজিশনিং করুন, সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখবেন না।

—শাট ডাউনের পরিবর্তে হাইবারনেট অপশন ইউজ করুন।

—ব্লু-টুথ ও ওয়াই-ফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন।

—হার্ডডিস্ক ও সিপিইউ-এর মেইনটেন্যান্সে কোনো কাজ করবেন না।

—অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো বন্ধ করুন।

—মাঝে মাঝে মেমোরি ক্লিনের জন্য Ram Cleaner, Ram Optimi“er, Mem Monster, Free Up Ram, Super Ram নিয়মমাফিক ডিফ্রাগমেন্ট করুন।

—আপাতত দরকার নেই এমন প্রোগ্রাম আনইনস্টল করুন।

— আমরা সাধারণত যাই ডিলিট করি তাই রিসাইকেল বিনে জমা হয় যা অনেক জায়গা নষ্ট করে তাই রিসাইকেল বিন থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো ডিলিট করে ফেলুন।

— ল্যাপটপ ডেস্কটপের মতো একটানা ...

Comments : 0  |  Cotinue reading

 


জালেমের শাস্তি

23 Sep  Tags:  প্রবন্ধ

জালেমের শাস্তি

জুলুম-নির্যাতনে ফল কি? তা যদি কেউ আপনার কাছে জানতে চায় তাহলে কি উত্তর দিবেন? তাকে ফিরাউনের নীল নদে সলিলসমাধির ঘটনাটি পড়তে বলবেন। আর মিসরের কায়রো যাদুঘরে ফিরাউনের যে লাশটা রাখা আছে, তা ইন্টারনেটের মাধ্যমে একবার দেখে নিতে বলবেন। এখানেই শেষ নয়! তাকে বলবেন, জালেমের দিকে জুলুমের ভয়াবহ শাস্তি বাঁধভাঙ্গা বন্যার ন্যায় ছুটে  আসছে। ইতিহাস চিৎকার করে বার বার এ-কথাই বলছে যে, তোমরা আমার কাছ থেকে শিক্ষা গ্র্রহণ কর এবং জালেম কে যুগেযুগে আল্লাহ পাক কি শাস্তি দিয়েছেন, তা অন্তরদৃষ্টি দিয়ে অবলোকন কর।

 এমর্মে একটি ঘটনা আমি উল্লেখ করছি শিক্ষা গ্রনণের জন্য।

 আল-মাজালিস নামক কিতাবে যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন  আমার পাশে এক ব্যক্তি বসা ছিল। তার ডান হাত গোড়া থেকে কাটা। হঠাৎ করে সে চিৎকার করে বলে উঠলঃ আমার এ অবস্থা যে ব্যক্তি দেখতেছে সে যেন কারও প্রতি জুলুম ও অত্যাচার না করে।

 আমি তাকে বললাম তোমার ঘটনা কি? সে বললঃ একদা আমি সমুদ্রোপকুলে যাচ্ছিলাম। আমি এক হাবশির পাশ দিয়ে ...

Comments : 0  |  Cotinue reading

 


মৃত ব্যক্তির বাড়িতে দাওয়াত খাওয়া প্রসঙ্গেঃ

23 Sep  Tags:  প্রবন্ধ

মৃত ব্যক্তির বাড়িতে দাওয়াত খাওয়া প্রসঙ্গেঃ

আমাদের সমাজে একটা প্রথা আছে, তা হচ্ছে, কোন ব্যক্তি মারা গেলে তার জানাযায় উপস্থিত লোকদের এ ভাবে দাওয়াত দেয়া হয়যে, অমুক তারিখে মাইয়্যেতের বাড়িতে ইসালে ছাওয়াব ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে, সকলের প্রতি দাওয়াত রইল।

 মৃতব্যক্তির বাড়িতে খানার ব্যাবস্থা করা ও খানা খাওয়া বেদআত, এ ব্যাপারে উম্মতের উলামায়ে কেরাম একমত। বিভিন্ন কারণে এমন অনুষ্ঠান অবৈধ ও হারাম।

(১) এ সমস্ত রছম-রেওয়াজের কোন অস্তিত্ব ইসলামে নেই এগুলো জাহিলিয়াতের যুগে আরবের মুর্খ লোকেরা করে থাকত।

 ইসলাম এসে এ সমস্ত জাহিলী প্রথাকে রহিত করে দিয়েছে।

(২) সাহাবায়ে কেরাম ও সালাফে সালেহীনদের থেকে এমন কোন আমলের প্রমাণ পাওয়া যায় না।

(৩) এটা যারা করে তাদের এটা মনগড়া কাম।

(৪)

عن أبي هريرة رضى الله تعالى عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا مات الإنسان انقطع عمله إلا من ثلاث صدقة جارية وعلم ينتفع به وولد صالح يدعو له . أخرجه مُسلم .

হযরত আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ও সাল্লাম বলেন- ...

Comments : 0  |  Cotinue reading