সাম্প্রতিক পোস্ট শিরোনাম

বিস্তারিত

ফরজ নামায পরবর্তী যিক্রসমূহ

07 Sep  Tags:  প্রবন্ধ

ফরজ নামায পরবর্তী যিক্রসমূহ  প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ নাময শেষে যে সমস্ত দোয়া পাঠ করা সুন্নত তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো :

أستغفر الله    ৩ বার - আসতাগফিরুল্লাহ। আসতাগফিরুল্লাহ। আসতাগফিরুল্লাহ।

অর্থ : আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি। অতঃপর নিম্নের দু’আগুলি ১ বার পড়বে :

اَللّهُمَّ أنْتَ السَّلاَمُ وَ مِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ و اْلإِكْرَامِ  

আল্লাহুম্মা আংতাস্ সালা-ম, ওয়া মিনকাস্ সালা-ম, তাবা-রকতা য়া যালজালা-লি ওয়াল ইকরা-ম। 

অর্থ : “হে আল্লাহ! তুমি শান্তি দাতা, আর তোমার পক্ষ থেকেই শান্তি বর্ষিত হয়, তুমি বরকতময়, হে মর্যাদাবান ও কল্যাণময়!” 

لا إِلهَ إِلا اللهُ وَحْدَهُ لا شَرِيْكَ لَهُ ؛ لَهُ الْمُلْكُ و َلَهُ الْحَمْدُ وَ هُوَ عَلَى كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْرٌ ؛ لا حَوْلَ وَ لا قُوَّةَ إِلا بِالله ؛ لا إِلهَ إِلا اللهُ وَ لاَ نَعْبُدُ إِلا إِيَّاهُ ؛ لَهُ النِّعْمَةُ وَ لَهُ الْفَضْلُ وَ لَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ ؛ لا إِلهَ اِلا الله ُ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ وَ لَوْ كَرِهَ الْكَافِرُوْنَ ؛ اَللّهُمَّ لا مَانِعَ  لِمَا أَعْطَيْتَ وَ لا مُعْطِىَ  لِمَا مَنَعْتَ وَ لا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ 

লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকালাহ, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, ওয়াহুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িং ক্বদীর, লা-হাওলা ওয়া লা-ক্বুউওয়াতা ইল্লা-বিল্লা-হ, লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া লা- না’বুদু ইল্লা- ইয়্যা-হু, লাহুন নি’মাতু ওয়ালাহুল ফাজলু ওয়ালাহুছ্ ছানা- উল হাসান, লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু মুখলিসীনা লাহুদ্দীন, ওয়ালাও কারিহাল কাফিরূন, আল্লা-হুম্মা লা-মা-নিআ’ লিমা আ’ত্বাইতা ওয়ালা মু’ত্বিয়া লিমা মানা’তা ওয়ালা-য়ানফা‘উ যালজাদ্দি মিনকাল জাদ্দু। অর্থ :

আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বূদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই, সকল বাদশাহী ও সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সব কিছুর উপরেই ক্ষমতাশালী। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া দুঃখ কষ্ট দূরকরণ এবং সম্পদ  প্রদানের ক্ষমতা আর কারো নেই। আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বূদ নেই। আমরা একমাত্র তাঁরই ইবাদত করি, নিআ’মতসমূহ তাঁরই, অনুগ্রহও তাঁর এবং উত্তম প্রশংসা তাঁরই। আল্ল¬াহ ছাড়া কোন মা’বূদ নেই। আমরা তাঁর দেয়া জীবন বিধান একমাত্র তাঁর জন্য একনিষ্ঠভাবে পালন করি। যদিও কাফিরদের নিকট উহা অপছন্দনীয়। হে আল্লাহ! তুমি যা প্রদান কর তাতে বাধা দেওয়ার কেউ নেই। আর তুমি  যা বাধা দাও তা প্রদান করারও কেউ নেই এবং  তোমার গযব হতে কোন বিত্তশালীকে তার ধনসম্পদ রক্ষা করতে পারবে না।”

  মাগরিব ও ফজর নামাযের পর পূর্বের দোয়াগুলোসহ নিম্নের দোয়াটি ১০ বার পড়বে।

لا إِلهَ إِلا اللهُ وَحْدَهُ لا  َشَرِيْكَ لَهُ ؛ لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ يُحْيِىْ وَ  يُمِيْتُ وَ هُوَ عَلَى كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْرٌ.

লা-ইলাহা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা-শারীকালাহ, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, য়ুহ্য়ী ওয়া য়ুমীতু ওয়াহুওয়া আলা- কুল্লি শাইয়িং ক্বদীর। ১   অর্থ :

“আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বূদ নেই, তিনি একক, তাঁর  কোন শরীক নেই। সকল বাদশাহী ও সকল প্রশংসা তাঁরই জন্য। তিনিই  জীবিত করেন ও মৃত্যু দান করেন। তিনিই সব কিছুর উপরে ক্ষমতাশালী।” 

 অতঃপর “سبحان الله”  ৩৩ বার, “ الحمد لله”  ৩৩ বার, “الله أكبر”  ৩৩ বার পড়বে।

  এই মোট ৯৯ বার আর একশত পূর্ণ করতে নিম্নের দোয়াটি পড়বে। لا إِلهَ إِلا اللهُ وَحْدَهُ لا شَرِيْكَ لَهُ ؛ لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ وَ هُوَ عَلَى كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْرٌ. লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা-শারীকালাহ, লাহুল মুলকু,ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িং ক্বদীর। অর্থ :

আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বূদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই। সকল বাদশাহী ও সকল প্রশংসা তাঁরই জন্য। তিনিই সব কিছুর উপরে ক্ষমতাশালী।” অতঃপর আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে :

اَلله لا إِلهَ إِلا هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ لا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَّ لا نَوْمٌ لَّهُ مَا فِى السَّمَاوَاتِ وَ مَا فِى الأَرْضِ مَنْ ذَا الَّذِىْ يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلا بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَ مَا خَلْفَهُمْ وَ لا يُحِيْطُونَ بِشَيْئٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلا بِمَا شَاءَ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَ الأَرْضَ وَ لاَ يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا وَ هُوَ الْعَلِىُّ الْعَظِيمُ  سورة البقرة

আল্লাহু লা-ইলাহা ইল্লা-হুওয়াল হাইয়ুল ক্বাইয়ূম, লা-তা’খুযুহু সিনাতুউ ওয়ালা-নাউম, লাহু মা-ফিস্  সামাওয়া-তি ওয়ামা-ফিলআরয্, মাংযাল্লাযী য়াশফা‘উ ইংদাহু ইল্লা-বিইযনিহ্, য়া’লামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামাÑ খলফাহুম, ওয়ালা য়ুহীতূনা বিশাইয়িম মিন ইলমিহী ইল্লা-বিমা-শা-আ, ওয়াসি‘আ কুরসিইয়ুহুস্ সামাওয়াতি ওয়াল আরয্, ওয়ালা-য়াঊদুহু হিফযুহুমা-ওয়াহুওয়াল আলিইয়ুল আযীম।   অর্থ :

“আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক, তাকে তন্দ্রা এবং নিদ্রা স্পর্শ করতে পারে না। আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর। কে আছে এমন যে, তাঁর  অনুমতি  ব্যতীত তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? তাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে যা কিছু আছে তা তিনি অবগত আছেন। যতটুকু তিনি ইচ্ছে করেন ততটুকু ছাড়া তারা তাঁর  জ্ঞানের কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না। তাঁর কুরসী সমস্ত আকাশ ও পৃথিবীময় পরিবেষ্টন করে আছে। আর সেগুলোর রক্ষণা-বেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। তিনি মহান শ্রেষ্ঠ।” [সূরা বাকারা ২৫৫ আয়াত] অতঃপর সূরা ইখলাস, সূরা নাছ এবং সূরা ফালাক্ব পাঠ করবে। মাগরিব ও ফজর নামাযের পরে এই সূরা তিনটি তিনবার করে পুনরাবৃত্তি করবে। এ ভাবেই পাঠ করা উত্তম।                

User Comments


Add Your Comments


Graveter Image

Name User

April 12