বিস্তারিত

মঙ্গল শোভাযাত্রায় পহেলা বৈশাখ....

13 এপ্রিল  ট্যাগ:  ভিডিও বয়ান

মঙ্গল শোভাযাত্রায় পহেলা বৈশাখ.... পহেলা বৈশাখের উৎসব বর্তমানে মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে শুরু হয়। পহেলা বৈশাখের এ উৎসব নাকি বর্তমানে জাতীয় ঐতিহ্য ও জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। এটা নাকি বাঙালির চিরায়ত উৎসব। আবার কেউ কেউ এটাকে ধর্মনিরপেক্ষতার খোল পড়িয়ে নাম দিয়েছে ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব। পৃথিবীতে নাস্তিক ছাড়া সবাই ধর্মে বিশ্বাসী। সব ধর্মের মানুষের কাছেই নাস্তিকরা দোষী। তাই ধর্ম ছাড়া আবার উৎসব হয় কিভাবে? তাই সবাইকে নিজ নিজ ধর্ম মেনেই উৎসবে মেতে উঠতে হবে। বিধায় ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ কথাটা যেমন ভিত্তিহীন তেমনি ‘ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব’ কথাটাও ভিত্তিহীন। এজন্য বর্ষবরণ উৎসবকে ‘ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব’ বলার কোন মানেই হয় না।

ধর্মনিরপেক্ষতার সম্পর্কে জানতে লিংকটিতে জান ... https://www.alkawsar.com/bn/article/1064/.

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ! যারা এ উৎসবকে জাতীয় উৎসব, এবং জাতীয় ঐতিহ্য বলে, তাদেরকে বলি; আপনারা “জাতি”শব্দের কোন অর্থটা ধরে এটাকে ‘জাতীয় উৎসব ও ঐতিহ্য বলেন? কারণ জাতি শব্দের কয়েকটি অর্থের মধ্যে থেকে দু’টি অর্থ উল্লেখযোগ্য- জাতি;১.ধর্ম অনুযায়ী শ্রেণিবিভাগ যেমন: মুসলিম জাতি, হিন্দু জাতি। জাতি;২. রাষ্ট্র-দেশ বা সংস্কৃতি অনুযায়ী শ্রেণিবিভাগ যেমন: ফরাসি জাতি, জার্মান জাতি, বাঙ্গালি জাতি। এ দু’টি অর্থের দিক দিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা বর্ষবরণকে ‘জাতীয় উৎসব’ বলা কতটুকু যুক্তিযুক্ত চলুন তা জেনে নেই! এখানে আমাদের আর একটি কথা স্মরণ রাখা দরকার তাহচ্ছে। প্রত্যেক জাতিরই ( হধঃরড়হ) কিন্তু একটা জাতীয়তা (হধঃরড়হধষরঃু ) রয়েছে। “জাতীয়তা” মানে; জাতির বৈশিষ্ট্য। যেমন: মুসলিম একটি জাতি। জাতি হিসেবে মুসলমানদের একটা জাতীয়তা তথা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তেমনি হিন্দু একটি জাতি। জাতি হিসেবে হিন্দুদের একটা জাতীয়তা তথা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কোন জাতি যদি তাদের জাতীয়তা তথা বৈশিষ্ট্যই বজায় রাখতে না জানে তাহলে জাতি হিসেবে তাদের আর কোন মানই থাকে না। তাই প্রত্যেক জাতিকে তাদের জাতীয়তা বজায় রেখেই চলতে হবে। এবার আসা যাক মূল আলোচনার দিকে। জাতির প্রথম অর্থ ধরে যদি এ উৎসবকে যাচাই করতে যাই তাহলে এ উৎসব মুসলিমদের জাতীয় উৎসব বলা যাবে কি না? আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, আমরা মুসলিম। আর মুসলিম জাতির জাতীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে “কোরআন-সুন্নাহ” মেনে চলা। তাই মুসলিম জাতি যদি কোন উৎসব পালন করতে চায় তাহলে তাকে অবশ্যই তার জাতীয়তা বজায় রেখেই করতে হবে। মুসলিম জাতি যদি তাদের জাতীয়তা বজায় রাখতে চায় তাহলে তাদের অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে যে, কোরআন তাদের কি বলে? কোরআন বলছে: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ ۚ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ . ২০৮ অর্থ; হে ঈমানদারগন ! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামের অন্তরর্ভুক্ত হয়ে যাও এবং শয়াতানের পদাংক অনুসরণ কর না। নিশ্চিতরূপে সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। ( সুরা বাকার; ২০৮) আমাদের এমন হলে চলবে না! رحمن بهى راضى رہے اور شيطان بهى بے زار نہ ہو۔ আাল্লাহও রাজি থাকুক আবার শয়তানও অসন্তুষ্ট না হোক। এবার আসা যাক সুন্নার দিকে। নীচে এ সম্পর্কীয় দুটি হাদীস ও তার সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা তুলে ধরা হলো। ১.বোখারী শরীফে রহয়রত আয়শা রা. থেকে বর্ণিত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অয়া সাল্লাম বলেন: হে আবু বকর! প্রত্যেক জাতির জন্য আনন্দ উৎসব রয়েছে, এটা আমাদের আনন্দ উৎসবের দিন। অর্থাৎ ঈদের দিন।( মেশকাত হাদীস নং ১৩৪৮০) । ২. হযরত আনাছ রা. বলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অয়া সাল্লাম মদীনায় আগমন করে দেখতে পেলেন মদীনাবাসীরা দুইটি দিনে খেলাধুলা ও রং-তামাশা করত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অয়া সাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন তোমরা এ দুইটি দিনে এমন কর কেন? সাহাবিগণ আরজ করলেন, আমরা ইসলামপূর্ব জাহেলিযুগে এ দুই দিনে খেলাধুলা ও রং-তামাশা করতাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অয়া সাল্লাম বললেন আল্লাহ তাআলা তোমাদের এ দু’টি দিনের বদলে এর চাইতে ভালো দু’টি দিন দান করেছেন, ঈদুল আযহার দিন এবং ঈদুল ফিতরের দিন। সুতরাং তোমরা জাহিলি যুগের সে দুই দিনকে ত্যাগ কর এবং এ দুই দিনকে পালন কর। উক্ত হাদীসদ্বয়ের দীর্ঘ ব্যাখ্যায় মোল্লা আলী কারী রহ. যা লিখেছেন তার সারসংক্ষেপ নি¤েœ দেয়া হলো। وفي رواية : يا أبا بكر إن لكل قوم " أي : من الأمم السالفة من الأقوام المبطل عيدا كالنيروز للمجوس وغيرهم وجعل علماؤنا التشبه بهم كلبس ثياب الزينة ولعب البيض وصبغ الحناء واللهو والغناء على وجه التعظيم لليوم كفرا . সেকালে মদীনা বাসীরা ‘নাইরোজ’ এবং ‘মেরেহজান’ নামে দুটি উৎসব পালন করতো। নাইরোজ তথা বর্ষবরণ উৎসব। সারা বছর সুখ-সমৃদ্ধি, কল্যান ও মঙ্গলে আশায় বছরের শুরুর দিনটাকে তারা উৎসবমুখর করে তুলতো এবং রং মেখে নতুন সাজ সাজতো ও গান বাজনা করত। আর দ্বিতীয় দিনটি ছিলো মেহরেজান। অনুরূপ কল্যান কামনায় একদিন তারা সূর্যপূজার উৎসব করতো আর সে দিনটির নাম ছিলো মেহেরজান। সার কথা জাহেলি যুগে এবং তার আগেও মানুষেরা বর্ষবরণ ও নানা উৎসবের আয়োজন করত এবং সেসমস্ত উৎসবকে কেন্দ্র করে রঙ বে রঙের পোশাক পড়ত এবং বিভিন্ন সাজে সেজে গান-বাজনা করত। এতে কোন সন্দেহ নাই যে, কল্যাণ ও মঙ্গল কামনায় বর্ষবরণ উৎসব এটা বিজাতিদের উৎসব। আর বিজাতিদের কৃস্টি-কালচার ও রীতি-নীতি গ্রহণ করা কুফুরী গ্রনাহ। ﻣﻦ تشبہ ﺑﻘﻮﻡ فھو منھم۔ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রা. থেকে বর্ণিত বিশুদ্ধ হাদীসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অয়া সাল্লাম বলেন: যে কোন বিজাতির অনুসরণ-অনুকরণ (রীতি-নীতি পালন)করবে সে সেই জাতিরই অন্তর্ভুক্ত বলে গন্য হবে। (আবু দাউদ, ইবনে হিব্বান, মাজমাউয যাওয়ায়েদ) হাদীসের স্তর: সহীহ। অর্থাৎ যারা মুসলমানদের আদর্শ বা কৃস্টি- কালচার গ্রহণ না করে বিজাতিদের আদর্শ বা কৃস্টি-কালচার গ্রহণ করবে তাদের হাশর-নাশরও বিজাতিদের সাথেই হবে। বর্ষবরণ এজন্য করা যে, সে দিনটি আমাদের মঙ্গল ও কল্যাণ বয়ে আনবে, তাই মঙ্গলের আশায় বর্ষবরণ এটা বিজাতিদের চিন্তা-চেতনা, ধ্যান-ধারণা। এটা ইসলামের তাওহীদ পরিপন্থি ধ্যান-ধারণা। প্রাক জহিলিযুগে যারা অন্ধকারে ডুবে ছিলো তাদের এমন ধ্যান-ধারণা ছিলো। তারা যেখানে সেখানেই তাদের মঙ্গল ও কল্যান তালাশ করে বেড়াতো। ইসলাম যাবতীয় কল্যান ও অকল্যানের মালিক আল্লাহ তাআলাকে মনে করে, বিধায় বর্ষবরণে মঙ্গল শোভাযাত্রা এটা তাওহীদ পরিপন্থি বিজাতিদের কৃস্টি-কালচার, এটা থেকে আমাদে দূরে থাকতে হবে। আর মুমিনরা তো প্রতিনিয়ত আল্লাহ তাআলার নিকট মঙ্গল ও কল্যান কামনা করে থাকে। একদা বছরের প্রথম দিনে হযরত আলী রা. এর নিকট এক ব্যক্তি কিছু মিষ্টান্ন হাদিয়া নিয়ে আসলো। হযরত আলী রা. তাকে হাদিয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলে সে বললো আজকে বছরের প্রথম দিন তাই ....। হযরত আলী রা. তাকে বললেন: فقال : نيروزنا كل يوم وفي المهرجان قال : مهرجاننا كل يوم. অর্থাৎ, প্রতিটি দিনই আমাদের জন্য নববর্ষ। প্রতিটি দিনই আমাদের মেহেরজান। আমরা তো প্রতিটি দিনেই আল্লাহর কাছে কল্যান ও মঙ্গল কামনা করি। বিধায় নববর্ষকে মঙ্গল ও কল্যানের জন্য বেছে নেয়া এটা বিজাতিদের চিন্তা চেতনা মুমিনদের নয়। বিজাতিদের এমন নববর্ষের সাথে কি কি গুনাহ জড়িত। গুনাহ মোট চার প্রকার: ১. সগিরা গুনাহ। ২. কবিরা গুনাহ. ৩. কুফুরি গুনাহ। ৪. শেরেকি গুনাহ। এ জাতীয় নববর্ষে ৩ ও ৪ নং গুনাহ রয়েছে এ ব্যাপারে উলামায়ে কেরাম একমত। তাই এমন উৎসব কখনও মুসলিম জাতির বৈশিষ্ট্য হতে পারে না যেখানে শেরেক ও কুফুরির মতো গুনাহ রয়েছে। এবার আসা যাক “জতি” শব্দের দ্বিতীয় অর্থের দিকে। জাতি শব্দের দ্বিতীয় অর্থ অনুযায়ী নববর্ষ উৎসব মানে রাষ্ট্রীয় উৎসব ও সংস্কৃতি। যেহেতু বাংলাদেশে বাঙ্গালি জাতি বসবাস করে তাই বিষয়টাকে এভাবেও বলা যেতে পারে যে, নববর্ষ বাঙ্গালি জাতির উৎসব ও ঐতিহ্য । আমরা বাঙলাদেশী বাঙালী মুসলমান। বাঙলী হিসেবে আমাদের কিছু ঐতিহ্য ও আদর্শ রয়েছে যা অনস্বীকার্য। এদিক দিয়ে বাঙলা নববর্ষে যদি মোবাহ এবং ইসলাম বিরোধী কিছু না থাকে তাহলে এমন মোবাহ বিনোদনে যেতে কোন বাধা নেই । যেমন লাঠি বাড়ি খেলা। এটা বাঙালি জাতির ঐতিহ্য। কারণ পাকহানাদার বাহিনী, যারা ছিলো অত্যাধুনিক অস্ত্রে সুসজ্জিত, তাদেরকে এই বাঙালি জাতি লাঠি দ্বারাই প্রতিহত করেছিলো। হাঁ নববর্ষের নামে এমন কিছু করা যাবে না যা ইসলাম ধর্মে হারাম। যেমন সারা বছর সুখ-সমৃদ্ধি, কল্যান ও মঙ্গলে আশায় বছরের শুরুর দিনটাকে উৎসবমুখর করে তোলঅ এবং রং মেখে নতুন সাজে সেজে গান বাজনা করা ও মঙ্গল কামনায় মঙ্গল শোভাযাত্রা করা। কারণ এগুলো তাওহীদ পরিপন্থি ধ্যান-ধারণা। প্রাক জহিলিযুগে যারা অন্ধকারে ডুবে ছিলো তাদের এমন ধ্যান-ধারণা ছিলো। ইসলাম তো যাবতীয় কল্যান ও অকল্যানের মালিক আল্লাহ তাআলাকে মনে করে এবং আল্লাহ তাআলাই সর্বময় ক্ষমতার মালিক, ক্ষমতাধর ও শক্তিমান। বিধায় বর্ষবরণে মঙ্গল শোভাযাত্রা এটা তাওহীদ পরিপন্থি বিজাতিদের কৃস্টি-কালচার এমন কাজে মুসলমানরা কখনও যেতে পারে না। যারা বর্ষবরণের ভালোবাসায় মত্ত হয়ে ইসলামের তাওহীদ বিরোধী মঙ্গল শোভাযাত্রার মত একটা কাজকে মুসলমানদের ঘারে চাপানোর নোংরা চিন্তা লালন করে, তাদের দ্বারা কখনও পৃথিবীতে শান্তি কামনা করা যায়না। এরা পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করবে। আমি তাদের বলতে চাই; মঙ্গল শোভাযাত্রা যদি বাঙ্গালি জাতির ঐতিহ্য হয় তাহলে আমাদের একথাও স্মরণ রাখা দরকার যে, আমরা কিন্তু শুধু বাঙ্গালিই নয়, আমরা বাঙ্গালি মুসলমানও। আর মুসলমানদের ঈমান সবার আগে। মুসলমানরা ঈমানের জন্য সব কিছু জলাঞ্জলী দিতে প্রস্তুত। یوں تو سید بھی ہو ، مرزا بھی ہو، افغان بھی ہو ۔ تم سبھی کچھ ہو ۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔ بتاؤ کہ مسلمان بھی ہو ۔ ডক্টর ইকাবাল মরহুম বলেন: তুমি! সাইয়েদ, মির্জা, আফগানী সব হয়েছো জানি একটু ও ভাই বল দেখি তোমার আছে কি মুসলমানী! আসুন! ভুলে গেলে চলবে না। আমরা মুসলমান। ইসলাম পৃথিবীল শ্রেষ্ঠ ধর্ম । ইসলামে রয়েছে অনুপম আদর্শ। যে আদর্শ মানুষকে সুস্থ ও সুন্দর বিনোদনের পথ দেখায়। যে পথে চললে মানুষ অশ্লীল, বেহায়াপনা ও নগ্নতার মরণ ছোবল থেকে নিজেকে এবং নিজ পরিবারকে রক্ষা করতে পারবে। যে বিনোদন মানুষের জীবনকে বিষাদ করে তুলে। যা মানুষকে অলীক অনুভুতি ও চিন্তা-চেতনা পথ দেখায় এবং যে বিনোদন এমন স্বপ্ন দেখায় যার মাধ্যমে অন্যায় ও অপরাধের দার উন্মুক্ত হয় এমন বিনোদন থেকে দূরে থাকাটাই জ্ঞানীদের কাজ। اے طائر لاہوتی! اس رزق سے موت اچھی جس رزق سے آتی ہو پرواز ميں کوتاہی হে ঊর্ধ্ব জগতের পাখি! তুমি খেওনা এমন দানা কেড়ে নেবে যা জীবন তোমার পাবে না যে আস্তানা। আমরা যেন বিনোদনের নামে এমন কিছু না করি যা আমাদের পতনের কারণ না হয়। পশ্চিমারা তাদের যুগল নারী-পুরুষের বিনোদনের জন্য বহুমুখী সস্তা যৌনরুচক বিনোদনের দার উন্মুক্ত করে। যা পরবর্তীতে উশৃঙ্খল যৌনতার রূপ নেয় এবং মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়ে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে এবং ভেঙ্গে দেয় তাদের সমাজের চেইন ওফ কমান্ডকে। যার কারনে নড়বড়ে হয়ে যার তাদের মানবতা ভিত। তাদের টাকা-কড়ির অভান না থাকলেও মানবতার অভাবটা খুব বেশী। যারা সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী এবং পশ্চিমা দেশগুলো সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন তাদের বিষয়টা বোধগম্য হতে জটিলতা থাকার কথা নয়। যে জাতির নারী-পুরুষেরা যৌনকেলীতে মেতে উঠে তাদের পতন হাতছানি দিয়ে ডাকে। পশ্চিমারা বড় চালাক। তারা কখনও চায় না যে, কোন জাতি তাদের উপর মাথা উঁচু করে দাঁড়াক। তাই তারা সর্বদাই নোংরা বিনোদন বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন জাতির উপর কৌশলে চাঁপিয়ে দেয়। থার্টিফাস্ট নাইট, বর্ষবরণ, মঙ্গল শোভাযাত্রা এগুলো তারই একটা অংশ। এ সমস্ত অনুষ্ঠানে যে অর্থ ব্যায় হয় তা যদি দেশের গরীব-দুখীদের জন্য ব্যায় করা হত, তাহলে আশা করা যায় অনেক গরীদ-দুখীর দুঃখ-কষ্ট দূর করা সম্বভ হত। যে দেশের মানুষ দরিদ্র সীমার উপরে দিন কাটায় তাদের এমন উৎসব, ঐতিহ্যে টাকা খরচ করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত তা আপানাদের বিবেকের উপরই ছেড়ে দিলাম। হে আল্লাহ! আমাদের গুনাহ মুক্ত জীবন দান করুন। আমীন।


আপনার মন্তব্য লিখুন


Graveter Image

নাম

April 12