সাম্প্রতিক পোস্ট শিরোনাম

সাম্প্রতিক পোস্ট

হারানো সম্পদ খুঁজে নিন

14 Feb  Tags:  ইসলামী জ্ঞান

হারানো সম্পদ খুঁজে নিন!!!

..................................

যে নিজের উপর আস্থা হারায় সে আবার অন্যের উপর আস্থা রাখবে কিভাবে! যে আস্থা হারায় সে আস্তে আস্তে মানুষিক রোগী হয়। ঈমানদার কখনও আস্থা হারায় না। ঈমানদারদের আস্থা-বিশ্বাস সদা-সর্বদা আল্লাহ তা’আলার উপর। বিপদাপদ-বালা মুসীবাতে যাদের যবান থেকে নিজের অজান্তেই

 لا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم

 বের হয় সে কখনও ঈমানী শক্তি হারায় না। সে সর্বদা আস্থাবানই থাকে। হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন: আরশ বহনকারী ফিরিশতাদের কাঁধ থেকে পা পর্যন্ত পাঁচশত  বছরের দূরত্ব। তিনি আরো বলেন: আল্লাহ তা’আলা যখন আরশ তৈরী করলেন তখন আরশ বহনকারী ফিরিশতাদের বললেন: আমার আরশ উঠাও। কিন্তু তাঁরা আরশ উঠাতে সক্ষম হলেন না। অতঃপর এক-একজন  ফিরিশতাকে সাহায্যের জন্যে আল্লাহ তা’আলা  আসমানে তাঁর যে পরিমাণে বাহিনী রয়েছে এ পরিমাণে ফিরিশতা সৃষ্টি করলেন। অতঃপর বললেন: উঠাও আমার আরশ । এরপরও তাঁরা আল্লাহ তা’আলার আরশ উঠাতে সক্ষম হলেন না।

 পুণরায় আল্লাহ তা’আলা এক-একজন ফিরিশতাকে সাহায্যের জন্যে সাত আসমান ও সাত যমীনে তাঁর যে পরিমাণ ...

Comments : 0  |  Cotinue reading

 


তাফসীর শাস্ত্রের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

24 Nov  Tags:  প্রবন্ধ

 

অভিধানিক অর্থ: অভিধানিক  দৃষ্টিকোন থেকে তাফসীর (تفسیر)  শব্দের অর্থ স্পষ্ট করা, প্রকাশ করা, প্রসারিত করা, ব্যাখ্যা করা, যেমন যেমন আল্লাহর বাণী: -وَلَا يَأْتُونَكَ بِمَثَلٍ إِلَّا جِئْنَاكَ بِالْحَقِّ وَأَحْسَنَ تَفْسِيرًا

“ তারা আপনার কাছে কোন সমস্যা উপস্থাপন করলেই আমি তার সঠিক জওয়াব  ও ব্যাখ্যা প্রদান করি।  تفسیر শব্দটি  فسر শব্দমূল হতে গৃহত। যার অর্থ, উদঘাটন করা, উন্মুক্ত করা।স্পষ্ট করা। লিসানুল আরব প্রণেতা বলেন: الفسر  অর্থ, বয়ান তথা স্পষ্ট ব্যাখ্যা, যেমন বলা হয়: فسرہ অর্থাৎ স্পষ্ট করেছে। অতঃপর তিনি বলেন:  الفسر  অর্থ পর্দা উন্মোচন আর তাফসীরের কাজ হলো, অস্পষ্ট শব্দের মূল তত্ত্ব উদঘাটন করা।  মূলত ر - س- ف  ও ر - ف- س এই উভয় শব্দ মূল উন্মুক্তকরণ ও যবনিকা উন্মোচনের অর্থে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু ر - ف- س শব্দমূল সাধারণত বাহ্য ও জড় বস্তুর উন্মোচন অর্থে এবং ر - س- ف অভ্যন্তরীণ ও অজড় বস্তুর উন্মোচন অর্থে ব্যবহৃত হয়। ডাক্তার ...

Comments : 0  |  Cotinue reading

 


সাহরী খাওয়ার শেষ সময়সীমা:

24 Nov  Tags:  প্রবন্ধ

সাহরী খাওয়ার শেষ সময়সীমা:
........................................
একটি ভ্রান্তি নিরসন
.......................
নিম্নে বর্ণিত হাদীসটির কারণে অনেকের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয় এবং বলতে শোনা যায় যে, ফজরের আযানের পরেও সাহরী খাওয়া অনুমতি রয়েছে হাদীসে এবং দলীল স্বরূপ তারা এ হাদীসটি পেশ করে  থাকেন:
عن أبي هريرة  رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سمع أحدكم النـداء والإناء على يده فلا يضعه حتى يقضي حاجته مـنه ) صحيح أبي داؤد(
অর্থ: হযরত আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সা. ইরশাদ করেছেনে যখন তোমরা কেউ আযান শুনবে আর খাদ্যের পাত্র হাতে থাকে, তবে সে যেন তা রেখে না দেয় যে পর্যন্ত সে  তা হতে নিজের প্রয়োজন পূর্ণ না করে। (আবু দাউদ)
উক্ত হাদীসের কারণে অনেকেই মনে করেন, ফজরের আযানের পরেও সাহরী খাওয়া যায়।
আসলে এমন ধারণা করা আর হাতির দাঁতকে কলাগাছ মনে করা সমান। কারণ সাহরীর সময়সীমার বর্ণনা এসেছে সরাসরি কোরআন মাজীদে ইরশাদ হচ্ছে:
وَكُلُوا وَاشرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ ...

Comments : 0  |  Cotinue reading

 


সকাল-সন্ধ্যার দোয়া

07 Aug  Tags:  প্রবন্ধ

 

(১)   আয়াতুল কুরসী ১ বার। সূরা বাক্বারার,আয়াত; (২৫৫)

(২)   ক্বুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ (৩ বার)। ক্বুল আউ-যু বিরব্বিল ফালাক্ব (৩ বার)। ক্বুল আউযু বিরব্বিন্না-স (৩বার)।

لا إله إلا الله وَحْدَهُ لا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ وَ هُوَ عَلَى كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْرٌ .

(৩) লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা-শারীকা লাহ,লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা-কুল্লি শাইয়িং ক্বদীর।

)১ বার, ১০ বার বা ১০০ বার) ।

অর্থ : আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা'বূদ নেই,তিনি একক তাঁর কোন শরীক নেই,রাজত্ব তাঁরই এবং যাবতীয় প্রশংসার অধিকারীও তিনি,তিনি সকল বস্তুর উপর ক্ষমতাবান।

سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ

)৪) সুবহা-নাল্লা-হি ওয়াবিহামদিহি। (১০০ বার)

অর্থ : প্রশংসা সহকারে আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি।

بِسْمِ اللهِ الَّذِىْ لا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْئٌ فِى الأَرْضِ وَ لاَ فِى السَّمَاءِ وَ هُوَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ .

)৫)বিসমিল্লা-হিল্লাযী লা-য়াযুররু মা'আসমিহী শাইউং ফিল আরযি ওয়ালা-ফিস্ সামা-য়ি ওয়াহুওয়াস্ সামীউল আলীম।(৩ বার)

অর্থ : শুরু করছি সেই আল্লাহর নামে,যার নামের সাথে আসমান এবং যমীনের কোন বস্তুই কোন ক্ষতি করতে পারবে না,তিনি ...

Comments : 0  |  Cotinue reading

 


আশুরার তাৎপর্য।

19 Jul  Tags:  প্রবন্ধ


মহররমের ১০ তারিখকে বলা হয় আশুরা। এটা নাম বাচক বিশেষ্য নয়, এটা গুণবাচক বিশেকষণ। বিশেষ কিছু ঘটনা ঘটার কারনেই এ তারিখকে আশুরা বলা হয়। ইমাম বোখারী রহ. তাঁর সহীহ গ্রন্থে একখানা হাদীস হযরত ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন- রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ও সাল্লাম যখন হিজরত করে মদীনায় এসে দেখতে পেলেন যে, ইয়াহুদিরা আশুরার দিন রোযা রাখে। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ও সাল্লাম তাদের এ দিনে রোজা রাখার কারণ জিজ্ঞাসা করলেন যে, তোমরা এ দিনে কেন রোজা রাখ? ইয়াহুদির উত্তরে বললো- এটা ত একটা মহান দিবস, এ দিনে আল্লাহ পাক ফিরাউনকে স্বদলবলে নীলনদে ডুবিয়ে মারেন ও হযরত মুসা আ. কে ফিরাউনের নির্যাতন থেকে নাজাত দান করেন।  
এজন্যে হযরত মুসা আ. এদিনে শুকরিয়াতান রোজা রাখতেন তাই আমরাও এদিনটিতে রোজা রাখি।
রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ও সাল্লাম বললেন তোমাদের তুলনায় আমি মুসা (আ.)এর সর্বাধিক নিকটতম ( কারণ তিনিও নবী আমিও নবী) তাই এ রোজার হকদার আমিই বেশী। এজন্যে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ...

Comments : 0  |  Cotinue reading