সাম্প্রতিক পোস্ট

যিল-হজ্ব মাসের প্রথম দশকের আমল ও ফজিলত

02 আগস্ট 2019  ট্যাগ:  প্রবন্ধ

হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, দিনসমূহের মধ্যে এমন কোন দিন নাই যেদিনগুলোর আমল আল্লাহর নিকট এই দশ দিন (অর্থাৎ; যিল-হজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন) অপেক্ষা অধিক উত্তম। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞাসা করলেন, ওগো আল্লাহর নবী! আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও কি এই দিনগুলির আমলের চেয়ে প্রিয় নয়? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়। তবে হাঁ, যদি কোন ব্যক্তি তার জান-মাল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয় অতঃপর এসবের কিছুই নিয়ে সে বাড়ি না ফেরে (অর্থাৎ; তার সমস্ত মাল আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে এবং সে নিজেও শহীদ হয়ে যায়) তাহলে এমন জিহাদ অবশ্য এই দিনগুলির আমল হতে উত্তম হবে। رواه البخاري))

হযরত ইবনে উমার (রা.) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, এমন কোন দিন নাই যে দিনের আমল আল্লাহর নিকট এই দশ দিনের আমলের চেয়ে অধিক প্রিয় ও মর্যাদাবান। (অর্থাৎ; এই দশ দিনের আমল অন্য কোন দিনের আমলের সাথে তুলনা যোগ্য নয়) ...

মন্তব্য: 0  |  বিস্তারিত পড়ুন

 


কুরবানীর গুরুত্ব ও তাৎপর্য সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:

02 আগস্ট 2019  ট্যাগ:  প্রবন্ধ

১                                       
মহান প্রেমের চরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শনের দারপ্রান্তে আমরা উপস্থিত, নিজেদের সবচে প্রিয় বস্তুটি করুনাময়ের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করার অমিয় শিক্ষা নিয়ে এল পবিত্র কুরবানী। আল্লাহর জন্য কুরবানী করা হযরত আদম আ. এর যামানা থেকেই প্রচলিত।
ঐ সময় মানুষ কুরবানী করে মাঠে রেখে আসত, যার কুরবানী আল্লাহর দরবারে কবূল হত আসমান থেকে আগুন এসে তার কুরবানী করা পশু জ্বালিয়ে দিত।
আল্লাহ তা’আলা তাঁর প্রিয় বান্দাদের থেকে কুরবানী নিতেন। সে ধারাবাহিকতায় জাতির পিতা হযরত ইবরাহীম আ. কে আদেশ করেছিলেন তাঁর প্রাণাধিক পুত্র ইসমাইলকে কুরবানী করার।
জাতির পিতা হযরত ইবরাহীম আ. কঠোর পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিলেন, তিনি সে পরীক্ষা শতভাগ উতীর্ণ হয়েছিলেন। মহান আল্লাহ তা’আলা খলীলুল্লাহর সেই অমর প্রেম কাহিনীকে আমলী রূপ দিয়ে আমাদের মাঝে জীবন্ত করে রেখেছেন। খলীলুল্লাহ হযরত ইবরাহীম আ. ইরাকের অধিবাসী ছিলেন। সেখান থেকে হিযরত করে শাম-সিরীয়ায় চলে আসেন, সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন তাঁর প্রাণাধিকপুত্র হযরত ঈসমাইল আ.। স্তন্যপায়ী ঈসমাইলকে নিয়ে সুদূর মক্কায় হিযরতের ...

মন্তব্য: 0  |  বিস্তারিত পড়ুন

 


শবে বারাআত নিয়ে আমাদের চিন্তা-ভাবনা

19 এপ্রিল 2019  ট্যাগ:  প্রবন্ধ

 

নাম করণ:

شب براءة  (শবে বারাআত) ফার্সী শব্দ, شب যার অর্থ রাত। আর براءة (বারাআত) অর্থ নিষ্কৃতি, দায়মুক্তি। যেহেতু এ রাতে আল্লাহ তাআলা বহুসংখ্যক মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি তথা নিষ্কৃতি দান করেন তাই এ রাতকে شب براءة  বলা হয়। যে সমস্ত বরকতময় রজনীতে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দান করে থাকেন, শবে বরাত তাদেরই অন্যতম।এ রাতটি তাফসীর-হাদিস ও ফেক্বাহ শাস্ত্রের কিতাব সমুহে ليلة النصف من شعبان শব্দে বর্ণিত হয়েছে যার অর্থ  শাবানের মধ্য রজনী। মূলত এ রাতটি হলো শাবান মাসের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ শাবানের পঞ্চদশ রজনী।

এ রাতের আরো কয়েটি নাম:

শাবান মাসের মধ্য রজনী’র চারটি উল্লেখযোগ্য নাম রয়েছে আর তা হলোঃ

১.    ليلة البراءة (মুক্তি বা নিষ্কৃতির রাত)

২. ليلة مباركة  (বরকতময় রজনী )৩. ليلة الرحمة  (দয়া ও রহমতের রাত )৪. ليلة الصك  (দায়মুক্তির রাত) ।

২.    এ রাতকে ‘লাইলাতুস সাক’ নামে নামকরণের কারণ হিসেবে তাফসীরে কাশশাফে বর্ণিত আছে যে- যখন কোন ...

মন্তব্য: 0  |  বিস্তারিত পড়ুন

 


প্রসঙ্গ:ফরজ নামাজ বাদ সম্মিলিত দোয়া-

18 ফেব্রুয়ারি 2019  ট্যাগ:  প্রবন্ধ

নামাজ,রোজা, হজ্ব ও যাকাত এগুলো যেমন  ইসলামের স্বতন্ত্র একটি এবাদত ঠিক দোয়াও ইসলামের  স্বতন্ত্র একটি এবাদত। তাই দোয়াকে ভিন্ন কোন দৃষ্টিতে দেখার কোন সুযোগ নাই।

দোয়া একটি স্বতন্ত্র  এবাদত:

মুমিনের সব থেকে বড় হাতিয়ার হচ্ছে তার দোয়া। “দোয়া মুমিনের হাতিয়ার”  এটাকে আমরা অনেক সময় হাদীস মনে করে থাকি; প্রকৃত পক্ষে এটি হাদীস নয়, তবে সহীহ হাদীসের অর্থ বাহক। অন্য এক হাদীসে এসেছে: সবর এবং দোয়া মুমিনের কতইনা উত্তম হাতিয়ার।

تخريج السيوطي. فر.  عن ابن عباس . تحقيق الألباني. ضعيف  انظر حديث رقم : ৫৯৭০

দোয়া রবের সাথে সম্পর্ক স্থাপক:

দোয়ার দ্বারা মুমিন তার রবের সাথে যে কোন সময় সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে। ইরশাদ হচ্ছে:

তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব। যারা আমার এবাদতে অহংকার করে তারা সত্বরই জাহান্নামে  দাখিল হবে লাঞ্ছিত হয়ে। (সূরা-মুমিন; ৬২)

 আল্লামা ইবনে কাসির রহ. কাবে আহবার থেকে বর্ণনা করেন, পূর্ব যুগে কেবল পয়গম্ববরগণকেই বলা হত, দোয়া করুন: আমি কবুল করবো। আর এখন এই আদেশ সকলের জন্য ব্যাপক করে ...

মন্তব্য: 0  |  বিস্তারিত পড়ুন

 


তাফসীর শাস্ত্রের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

24 নভেম্বর 2018  ট্যাগ:  প্রবন্ধ

 

অভিধানিক অর্থ: অভিধানিক  দৃষ্টিকোন থেকে তাফসীর (تفسیر)  শব্দের অর্থ স্পষ্ট করা, প্রকাশ করা, প্রসারিত করা, ব্যাখ্যা করা, যেমন যেমন আল্লাহর বাণী: -وَلَا يَأْتُونَكَ بِمَثَلٍ إِلَّا جِئْنَاكَ بِالْحَقِّ وَأَحْسَنَ تَفْسِيرًا

“ তারা আপনার কাছে কোন সমস্যা উপস্থাপন করলেই আমি তার সঠিক জওয়াব  ও ব্যাখ্যা প্রদান করি।  تفسیر শব্দটি  فسر শব্দমূল হতে গৃহত। যার অর্থ, উদঘাটন করা, উন্মুক্ত করা।স্পষ্ট করা। লিসানুল আরব প্রণেতা বলেন: الفسر  অর্থ, বয়ান তথা স্পষ্ট ব্যাখ্যা, যেমন বলা হয়: فسرہ অর্থাৎ স্পষ্ট করেছে। অতঃপর তিনি বলেন:  الفسر  অর্থ পর্দা উন্মোচন আর তাফসীরের কাজ হলো, অস্পষ্ট শব্দের মূল তত্ত্ব উদঘাটন করা।  মূলত ر - س- ف  ও ر - ف- س এই উভয় শব্দ মূল উন্মুক্তকরণ ও যবনিকা উন্মোচনের অর্থে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু ر - ف- س শব্দমূল সাধারণত বাহ্য ও জড় বস্তুর উন্মোচন অর্থে এবং ر - س- ف অভ্যন্তরীণ ও অজড় বস্তুর উন্মোচন অর্থে ব্যবহৃত হয়। ডাক্তার ...

মন্তব্য: 0  |  বিস্তারিত পড়ুন