সাম্প্রতিক পোস্ট

ফরজ নামাজ বাদ সম্মিলিত দুআ কি বিদআত?

মাওলানা মুফতী আব্দুল আহাদ 12 আগস্ট

নামাজ,রোজা, হজ্ব ও যাকাত যেমন  ইসলামের স্বতন্ত্র একটি এবাদত ঠিক দুআও ইসলামের  স্বতন্ত্র একটি এবাদত। তাই দুআকে ভিন্ন কোন দৃষ্টিতে দেখার কোন সুযোগ নাই।

দুআ একটি সতন্ত্র এবাদত:

মুমিনের সব থেকে বড় হাতিয়ার হচ্ছে তার দুআ।

“দুআ মুমিনের হাতিয়ার” এটাকে আমরা অনেক সময় হাদীস মনে করে থাকি প্রকৃত পক্ষে এটি হাদীস নয়, তবে সহীহ হাদীসের অর্থ বাহক। অন্য এক হাদীসে এসেছে: সবর এবং দুআ মুমিনের কতইনা উত্তম হাতিয়ার।

تخريج السيوطي. فر.  عن ابن عباس . تحقيق الألباني. ضعيف  انظر حديث رقم  ৫৯৭০

মহান আল্লাহ তাআলা আদেশ করেছের তাঁর কাছে দুআ করার জন্য:

দুআর  মাধ্যমে মুমিন তার রবের সাথে যে কোন সময় সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে যে কোন বিপদাপদ ও মুসীবাতে। তাই আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন:

وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ ۚ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ

১.তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব। যারা আমার এবাদতে অহংকার করে তারা সত্বরই জাহান্নামে  দাখিল হবে লাঞ্ছিত হয়ে। (সূরা-মুমিন; ৬০)

إِنَّهُمْ كَانُوا يُسَارِعُونَ فِي ...


প্রসঙ্গ: প্রবন্ধ মন্তব্য: 0  |  বিস্তারিত পড়ুন

 


কুরবানীর গোশতের সামাজিক বন্টন ও আহকাম:

মাওলানা মুফতী আব্দুল আহাদ 14 জুলাই

সমস্ত মুসলিম কুরবানীর দিনগুলোতে মহান আল্লাহ তা‘আলার মেহমান। আর আল্লাহ তা‘আলার যিয়াফত ও আতিথেয়তা গ্রহণ করার মধ্যেই রয়েছে বান্দার কল্যাণ।

মহান আল্লাহ তা‘আলা কুরবানীর দিনগুলোতে তাঁর নিবেদিত পশুর গোশত মুসলিমদের জন্য অবারিত করে দিয়েছেন, যাতে তারা তা খেয়ে তাঁর শুকর আদায় করতে পারে।

কাজেই কুরবানীর গোশত খাওয়া উদরপূর্তিমাত্র নয়; বরং এটি একটি উঁচু মানের এবাদত ও এতে রয়েছে ত্যাগের অমিয় শিক্ষা। কুরবানীর দিন কুরবানীদাতারা আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে তাঁর যিয়াফতের প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন। তাই যারা কুরবানী দেয়ার সামর্থ রাখে না তাদের মেহমানদারীর দায়িত্ব কুরবানীদাতাদের জিম্মায়। এজন্য কুরবানীর দিন গরীব ও অভাবগ্রস্তদের মাঝে কুরবানীর গোশত বিতরণ; এটা গরীরদের প্রতি করুণা নয়; বরং কুরবানীদাতারা যেন এটা আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে  যিয়াফতের প্রতিনিধিত্ব করছেন। কুরবানীদাতারা মেহমানদারীর দায়িত্ব গ্রহণ করার কারণে তার গোশতকে ভাগ করা মুস্তাহাব করে দেওয়া হয়েছে।

তাই; কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতেই কুরবানীর গোশত তিন ভাগে ভাগ করা মুস্তাহাব।

১.এক ভাগ নিজের জন্য

২.এক ভাগ বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয় স্বজনদের জন্য

৩.ও এক ভাগ গরীব ও অভাবগ্রস্তদের বাড়িতে গুরুত্বের ...


প্রসঙ্গ: প্রবন্ধ মন্তব্য: 0  |  বিস্তারিত পড়ুন

 


কার গীবত করেন; কেন করেন? জেনে নিন:

মাওলানা মুফতী আব্দুল আহাদ 25 জুন

গীবত জঘণ্য গুনাহ ও মারাত্মক অপরাধ। যার গীবত করা হয়েছে তার কাছে ক্ষমা চাওয়া ছাড়া এ গুনাহ মাফের কোন উপায় নেই।

গুণী না হয়েও গুণের দাবী করা ও বর্ণনা যেমন ইসলাম সমর্থন করে না, ঠিক ক্ষেত্র বিশেষে দোষ গোপন করার অনুমতিও ইসলাম দেয় না। তাই দোষ ও গুণ বর্ণনার কঠোর নীতি রয়েছে ইসলামে।

তাই ইসলামের সোনালী যুগ থেকেই (الجرح والتعديل) জরাহ-তা'দীল তথা

দোষ-গুণ চর্চার একটা সাধারণ নিয়ম চলে আসছে । সে নিয়ম মেনে যদি কেউ কারো দোষ চর্চা করে তাহলে তা নিষিদ্ধ গীবতের অন্তর্ভুক্ত হবে না বরং তা হবে শরীয়ত সম্মত । তাই কখনও কখনও দোষ-গুণ চর্চা করা অপরিহার্য হয়ে পরে, যা না করলেই নয়। কারণ ক্ষেত্র বিশেষ গীবতের মধ্যেই থেকে থাকে জাতির কল্যাণ।

তাই মুহাদ্দিসীনেকেরামগণ ও ফুকাহায়েকেরামগণ বৈধ গীবতের সীমা-রেখা বেঁধে দিয়েছেন যা আমাদের অবশ্যই জানা দরকার। নিম্নে তার আলোচনা তুলে ধরা হল:

القدح ليس بغيبة في ستة متظلم ومعرف ومحذر

ولمجاهر فسقا ومستفت ومن طلب إلاعانة ...


প্রসঙ্গ: প্রবন্ধ মন্তব্য: 0  |  বিস্তারিত পড়ুন

 


حج سے متعلق ایک سبق آموز واقعہ

মাওলানা মুফতী আব্দুল আহাদ 09 জুন

حج سے متعلق ایک سبق آموز واقعہ

حضرت ابراہیم علیہ السلام نے آج سے ہزار ہا سال قبل اللہ تعالی کے حضور یہ دعا کی تھی کہ

ربنا انی اسکنت من ذریتی بواد غیرذی زرع عند بیتک المحرم ربنا لیقیمو الصلاۃ فاجعل افئدۃ من الناس تہوی الیہم ورزقھم من الثمرات لعلھم یشکرون {ابراہیم۳۷}

پروردگار؟ میں نے ایک بے آب وگیاہ وادی میں اپنی اولاد کوتیرے محترم گھرکے پاس لابسایا ہے یہ میں نےاسلئے کیا ہے کہ یہ لوگ یہاں نمازقائم کریں ، لہذا تولوگوں کے دلوں کو انکا مشتاق بنااور انہیں کھانےکو پھل دے ، شاید کہ یہ شکرگزار بنیں ۔

ایک سچے مومن کے دل سے نکلی ہوئی اس دعا کو اللہ تعالی نے شرف قبولیت بخشا جسکا اثرآج ہر شخص دیکہ رہاہےکہ دنیا کےگوشےگوشے ، چپے چپے اور کونےکونےسےمسلمان اس گھرکارخ کررہے ہیں ؛ اورجو یہاں تک نہیں پہنچ پاتے وہ یہاں تک پہنچنےکیلئےکوشاں اورخواہش مند رہتے ہیں ۔ ایسےسچےایمان ...


প্রসঙ্গ: প্রবন্ধ মন্তব্য: 0  |  বিস্তারিত পড়ুন

 


ঈদের দিনের আমল

মাওলানা মুফতী আব্দুল আহাদ 18 মে

ঈদের দিনের সুন্নতসমূহ:

১.অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া। (বায়হাকী)

২.মিসওয়াক করা। (তাবয়ীনুল হাকায়েক)

৩.গোসল করা। হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) দুই ঈদের দিন গোসল করতেন। (মুসনাদে বায‍যার) ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে গোসল করতেন। (মুয়াত্তা ইমাম মালেক)

৪.শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা।(বুখারী)

৫.সামর্থ অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা। ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে তিনি দু ঈদের দিনে সুন্দরতম পোশাক পরিধান করতেন। ( বায়হাকী )

৬.সুগন্ধি ব্যবহার করা।(মুস্তাদরাকে হাকেম)

৭.ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টিজাতীয় যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া। তবে ঈদুল আযহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযের পর নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম।

বুরাইদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) ঈদুল ফিতরের দিনে না খেয়ে বের হতেন না, আর ঈদুল আজহার দিনে ঈদের নামাজের পূর্বে খেতেন না। সালাত থেকে ফিরে এসে কুরবানীর গোশত খেতেন। (মুসনাদে আহমদ ) আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সা.) ঈদুল ফিতরের দিন কয়েকটি খেজুর না খেয়ে বের হতেন না, আর খেজুর খেতেন বে-জোড় সংখ্যায়। ...


প্রসঙ্গ: প্রবন্ধ মন্তব্য: 0  |  বিস্তারিত পড়ুন